আজকের এই অতি-সংযুক্ত প্রযুক্তির যুগে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি মুহূর্তই কোনো না কোনোভাবে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত। কিন্তু আমরা কি কখনো গভীরভাবে ভেবে দেখেছি, ব্রাউজিং করার সময় আমাদের কতশত ব্যক্তিগত তথ্য ব্যাকগ্রাউন্ডে ট্র্যাক হয়ে যাচ্ছে? আমরা যারা প্রতিদিন ইন্টারনেটে কাজ করি এবং নিজেদের Digital Life থেকে Google-এর মতো টেক প্রকাণ্ডদের সর্বব্যাপী নজরদারি ও ডেটা কালেকশন কমাতে চাই, তাদের কাছে প্রথম বড় পদক্ষেপই হলো বিভিন্ন Privacy-First Alternatives-এ Switch করা। আর এই Privacy সুরক্ষার আন্তর্জাতিক লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বিখ্যাত Swiss Tech Firm Proton দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। নিজেদের অত্যন্ত শক্তিশালী ও এনক্রিপ্টেড Secure Email Platform (যা আমরা Proton Mail নামে চিনি) এবং বিশ্বের অন্যতম সেরা ও দ্রুতগতির VPN Services দিয়ে Proton ইতিমধ্যেই সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের আস্থা অর্জন করে নিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে টেক অঙ্গনে এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে—হাতে পাওয়া তথ্য বলছে, কোম্পানিটি হয়তো এবার সরাসরি Google Chrome-এর একচ্ছত্র আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে এবং তাদের বিরুদ্ধে টেক্কা দিতে একটি সম্পূর্ণ নতুন Web Browser তৈরির পরিকল্পনা করছে! গোপন এই প্রজেক্টের খবরটি কিন্তু কোনো ধুমধাম করে আয়োজন করা সংবাদ সম্মেলন বা বড় কোনো লঞ্চ ইভেন্ট থেকে সামনে আসেনি। প্রযুক্তি সাংবাদিকতার জগতে প্রায়শই দেখা যায় যে, বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের আগামী দিনের প্রজেক্টের জন্য যখন গোপনে নতুন কর্মী নিয়োগ দিতে শুরু করে, তখন জব পোর্টাল থেকেই সেই খবরের সূত্রপাত ঘটে। ঠিক তেমনি, আয়ারল্যান্ডের পরিচিত টেক নিউজ পোর্টাল TechCentral.ie প্রথম একটি সদ্য প্রকাশিত Job Listing খুঁজে পায় এবং খবরটি বিশ্ববাসীর সামনে প্রকাশ করে। উক্ত Job Listing-এর ভেতরে লেখা তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে জানা যায়, Proton অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে একজন অভিজ্ঞ Software Engineer খুঁজছে। নিয়োগপ্রাপ্ত এই ইঞ্জিনিয়ার সুইজারল্যান্ডের স্বনামধন্য শহর Geneva অথবা Zurich-এ অবস্থিত Proton-এর নিজস্ব হেডকোয়ার্টারে তাদের ডেডিকেটেড "Browser Product Team"-এ সরাসরি যোগ দেবেন। এই চাকুরির আবেদনের বিবরণী স্পষ্ট নির্দেশ করছে যে, তারা তাদের নিজস্ব ইকোসিস্টেমের অধীনে একটি নতুন Web Browser তৈরি করতে যাচ্ছে। যদি আমরা নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করি, তবে Proton যেভাবে গত কয়েক বছরে একটি পূর্ণাঙ্গ Security-First Ecosystem গড়ে তুলছে, সেখানে একটি ডেডিকেটেড Web Browser যুক্ত হওয়াটা বেশ স্বাভাবিক এবং যৌক্তিক একটি Step বলে মনে হতেই পারে। কারণ ব্যবহারকারী যখন তাদের মেইল, ভিপিএন কিংবা ফাইল স্টোরেজ ব্যবহার করছেন, তখন ব্রাউজারটিও যদি তাদের নিজস্ব হয়, তবে পুরো সিকিউরিটি সাইকেলটি নিখুঁত হয়। কিন্তু বাস্তবে এই খবরটি যখনই বিভিন্ন প্রযুক্তি মাধ্যমে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ল, তখন Proton-এর সবচেয়ে অনুগত ও দীর্ঘদিন ধরে সার্ভিস ব্যবহার করে আসা Users-দের কাছ থেকে আসা প্রাথমিক Reaction কোনো উল্লাস বা প্রশংসা ছিল না—বরং তা ছিল অভাবনীয়ভাবে Negative বা নেতিবাচক! এই চাঞ্চল্যকর বিষয়টি সম্পর্কে আরও গভীরে গিয়ে সত্যতা যাচাই করা এবং কোম্পানির নিজস্ব মতামত জানার জন্য আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রযুক্তি মাধ্যম সরাসরি Proton কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে তাদের Comments জানতে চায়। কিন্তু কোম্পানিটি এই বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো নির্দিষ্ট Comment করতে পুরোপুরি রাজি হয়নি এবং তারা নিজেদের কৌশল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আপাতত গোপন রাখার নীতিই বেছে নিয়েছে। ফাঁস হয়ে যাওয়া সেই Job Spec বা চাকুরির বিবরণী বিশ্লেষণ করলে Proton-এর নতুন প্রজেক্টের Technical Foundations বা প্রযুক্তিগত ভিত্তি নিয়ে কোনো প্রকার Doubt বা সন্দেহের অবকাশ থাকে না। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে Proton স্পষ্ট ভাষায় লিখে দিয়েছে যে, আবেদনকারী Candidates-দের অবশ্যই একটি "Chromium-Based Browser তৈরি বা Maintenance করার ক্ষেত্রে সরাসরি Hands-on Experience" বা বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। যদি কোনো যোগ্য সফটওয়্যার প্রকৌশলী এই পদে নিযুক্ত হন, তবে তাকে কী কী নির্দিষ্ট কারিগরি দায়িত্ব সামলাতে হবে? চাকুরির বিবরণীতে মূল ৪টি স্পেসিফিকের কথা স্পষ্ট করে বলা হয়েছে: Proton-এর মূল দৃষ্টিভঙ্গি বা Vision হলো একটি বিশ্বমানের "Privacy-First Internet Browser" তৈরি করা, যা বিশ্বজুড়ে Millions Users ব্যবহার করতে পারবেন এবং যা একই সাথে macOS, Windows, এবং Linux-এর মতো জনপ্রিয় প্রতিটি অপারেটিং সিস্টেমে নির্বিঘ্নে চালানো যাবে। তবে বিজ্ঞপ্তির এসব আকর্ষণীয় Details ও চমৎকার সব ফিচারের কথা দেখে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া কিংবা অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে যাওয়া একদমই উচিত হবে না। আমাদের মনে রাখা উচিত, জটিল এবং উচ্চমানের Software Development কখনোই রাতারাতি সম্ভব নয়; এর পেছনে প্রচুর Time এবং গবেষণার প্রয়োজন হয়। উদাহরণ হিসেবে আমরা Proton Mail-এর কথা ভাবতে পারি। Proton Mail যখন তাদের নিজস্ব Desktop সংস্করণ নিয়ে কাজ শুরু করেছিল, তখনও চূড়ান্ত ও ত্রুটিমুক্ত রূপ পেতে বছরের পর বছর সময় লেগে গিয়েছিল। সুতরাং, কেবল একটি মাত্র Job Listing থেকে এতটুকু বোঝা যায় যে Proton তাদের ল্যাবে একটি Browser নিয়ে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা Experiment চালাচ্ছে। সফটওয়্যার জগতে এমন ঘটনা অহরহই ঘটে যেখানে কোনো একটি প্রজেক্ট বছরের পর বছর ধরে কোম্পানির ভেতরে শুধুই একটি Internal Test হিসেবে রয়ে যায়, কিংবা বহু বছর গবেষণার পর আলোর মুখ দেখার আগেই (Light of Day পাওয়ার আগেই) স্থায়ীভাবে বাতিল বা Scrapped হয়ে যায়! বর্তমানে হাতে থাকা সমস্ত Evidence বা প্রমাণ আমাদের একটি স্পষ্ট সংকেত দিচ্ছে যে—কোম্পানিটি আপাতত কেবল এই Concept-টি Explore করে দেখছে এবং খুব শীঘ্রই কোনো প্রস্তুত Product বাজারে বা সাধারণ গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেওয়ার মতো কোনো সুনির্দিষ্ট Plans তাদের নেই। কাজেই আপনি যদি ভেবে থাকেন যে আগামী সপ্তাহেই Google ব্রাউজিং ছেড়ে দিয়ে Proton-এর তৈরি Secure Alternative ব্যবহার শুরু করবেন, তবে আপনাকে আরও বেশ কিছুদিন ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতেই হচ্ছে। সাধারণত যেকোনো নতুন Privacy Tool বা সিকিউরিটি প্রোডাক্টের Announcement পেলেই প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে এক ধরনের দারুণ Excitement বা উৎফুল্লতা কাজ করে। কিন্তু Proton-এর এই প্রস্তাবিত ব্রাউজারের খবরটি যখনই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে জনপ্রিয় অনলাইন ফোরাম Reddit-এর নানা কমিউনিটিতে ছড়িয়ে পড়ল, তখন ভক্তদের Response বা প্রতিক্রিয়া ছিল সম্পূর্ণ Hostile বা তীব্র শত্রুতাপূর্ণ! কিন্তু কেন একটি প্রাইভেসি কোম্পানির ব্রাউজার প্রজেক্ট নিয়ে নিজস্ব ভক্তদের মাঝে এত Backlash বা ক্ষোভের সৃষ্টি হলো? বিষয়টিকে বিশ্লেষণ করলে প্রধানত দুটি বড় Issues আমাদের সামনে উঠে আসে: প্রথম বিষয়টি নিয়ে একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা যাক। একজন সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মনে করতেই পারেন যে, ব্রাউজার তৈরি হলেই তো হলো, ভেতরে কী ইঞ্জিন ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষের কী আসে যায়? কিন্তু Privacy-Conscious Users বা প্রযুক্তি সচেতন ব্যবহারকারীদের কাছে এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও নীতিগত একটি বিষয়। তারা চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কারণ Proton তাদের ব্রাউজারের মূল ভিত্তি হিসেবে Chromium-এর ওপর Reliance বা নির্ভরতা দেখাচ্ছে। আমরা সকলেই জানি যে, Chromium হলো মূলত টেক প্রকাণ্ড Google দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত একটি Open-Source Codebase। আজকের দিনে বিশ্বের ৮০% এরও বেশি ব্রাউজার (যেমন Chrome, Edge, Brave, Opera) এই একই ওপেন-সোর্স ইঞ্জিনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। Reddit-এ নিজের তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে এক প্রবীণ User লিখেছেন, "Google-এর তৈরি কোডবেস ব্যবহার করে বাজারে আরও একটি Chromium-Based Browser নিয়ে আসার সহজ অর্থ হলো, পরোক্ষভাবে আমাদের সকলকে Google-এর Monopoly বা একচেটিয়া আধিপত্যের আরও গভীরে ঠেলে দেওয়া। " Proton-এর বহু অনুগত Fans যুক্তি দেখিয়েছেন যে, Proton যদি সত্যিই নতুন কোনো ব্রাউজার আনতেই চায়, তবে তাদের উচিত ছিল Mozilla-এর ওপেন-সোর্স কোড ব্যবহার করে একটি স্বতন্ত্র Firefox Fork তৈরি করা। এতে ওয়েব দুনিয়ায় গুগলের একচ্ছত্র আধিপত্য কিছুটা হলেও কমতো। অথবা তাদের উচিত ছিল তাদের সমস্ত Resources ও প্রকৌশলীদের কাজে লাগানো সম্পূর্ণ নতুন এবং স্বাধীন ব্রাউজার প্রজেক্ট 'Ladybird'-এর উন্নয়ন কাজে। উল্লেখ্য, 'Ladybird' হলো একটি Independent Browser Project যা সম্পূর্ণ স্ক্র্যাচ থেকে কোনো গুগলের কোড ছাড়াই তৈরি করা হচ্ছে, এবং Proton নিজেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রজেক্টটিকে Sponsor বা আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে। তাই তারা প্রশ্ন তুলেছেন, স্পনসর করা স্বাধীন প্রজেক্টকে বাদ দিয়ে কেন আবার সেই গুগলের তৈরি ইঞ্জিনের পেছনেই টাকা ঢালা হচ্ছে? ব্যবহারকারীদের তীব্র অসন্তোষের দ্বিতীয় বড় কারণটি হলো Proton-এর বর্তমান রিসোর্স বণ্টন এবং কৌশলগত দিক। দীর্ঘদিনের ভক্তদের স্পষ্ট অনুভূতি হলো, Proton নিজেদের মূল কাজের জায়গা বা Core Services থেকে নজর সরিয়ে নিয়ে তাদের Development Resources অতিরিক্ত চারদিকে ছড়িয়ে ফেলছে এবং একই সাথে অনেকগুলো নতুন নতুন প্রজেক্ট শুরু করে সবকিছুর মান নষ্ট করছে। গত কয়েক বছরের দিকে তাকালে দেখা যাবে, Proton খুব দ্রুত তাদের পরিধি ও সার্ভিস ক্যাটাগরি বাড়িয়েছে। তারা নিয়ে এসেছে একটি পূর্ণাঙ্গ Proton Workspace (যার মধ্যে ফাইল স্টোরেজ, ডকুমেন্টস, পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ইত্যাদি রয়েছে) এবং সম্প্রতি তারা চালু করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক Privacy-First AI Chatbot, যার নাম দেওয়া হয়েছে Lumo। এভাবে খুব অল্প সময়ে হুটহাট করে নিজেদের Product Ecosystem অনেক বড় করে ফেলার কারণে তাদের মূল সার্ভিসগুলোতে নানা রকমের জটিলতা দেখা দিচ্ছে। তাই একেবারে শূন্য থেকে আরেকটি সাধারণ Web Browser তৈরি করার পেছনে সময়, টাকা এবং ইঞ্জিনিয়ারদের শ্রম নষ্ট না করে, Proton-এর অনুগত Community সমস্বরে কোম্পানিটির কাছে অত্যন্ত আকুল আবেদন বা আকুতি জানাচ্ছে—তারা যেন নতুন নতুন চটকদার প্রজেক্ট শুরু করা বন্ধ করে, তাদের বর্তমান লাইনআপের সার্ভিসগুলোতে জমে থাকা বছরের পর বছর পুরোনো Bugs গুলো দ্রুত Fix করে এবং অতীতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া ফিচারগুলো (Promised Features) আগে গ্রাহকদের হাতে তুলে দেয়! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এক Frustrated User লিখেছেন: "Proton-এর উচিত তাদের মূল্যবান Resources এভাবে চারদিকে না ছড়িয়ে দেওয়া বন্ধ করা এবং তাদের মূল Core Services-গুলোর ওপর সঠিকভাবে মনোযোগ Concentrate করা। " আরেকজন অতিষ্ঠ হওয়া পয়সা দিয়ে সাবস্ক্রিপশন কেনা User বর্তমান অ্যাপগুলোর করুন অবস্থার কথা তুলে ধরে সোজাসাপ্টা ভাষায় Comment করেছেন: "আমাদের নতুন কোনো ব্রাউজারের দরকার নেই, আপনারা আগে একটি ভালো এবং সঠিকভাবে কাজ করে এমন Calendar নিয়ে আসুন, তাতেই আমরা বাঁচি!" (এখানে বলে রাখা ভালো, Proton Calendar অ্যাপটি দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ও ডেসটপ গ্রাহকদের কাছে মন্থর গতি, কাজের ফিচার না থাকা এবং বিভিন্ন সিনক্রোনাইজেশন সমস্যার জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়ে আসছে)। দিনশেষে এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন হলো—Proton কি তাদের এই বিশ্বস্ত কমিউনিটির যুক্তিসঙ্গত দাবিগুলো মেনে নেবে? তারা কি ভক্তদের এই করুন Pleas শুনে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে অ্যাপগুলোর জমে থাকা Bugs দূর করতে এবং নিয়মিত App Updates দিতে মনোযোগ দেবে? নাকি তারা তাদের ভক্তদের সমস্ত সমালোচনা ও ক্ষোভ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে নিজস্ব Chromium Browser ডেভেলপ করার কাজ চালিয়ে যাবে? নাকি এই পুরো বিষয়টি শুধুই তাদের গবেষণাগারের একটি পরীক্ষামূলক প্রজেক্ট হয়ে কোনো একদিন ইতিহাসের খাতায় হারিয়ে যাবে? এই সমস্ত রহস্যের জবাব পেতে হলে প্রযুক্তি বিশ্বকে আরও কিছু দিন চোখ রাখতে হবে। আপাতত Proton তাদের সমস্ত কার্ড গোপন রাখছে এবং নিজেদের কৌশল নিজেদের হাতের মধ্যেই লুকিয়ে রাখছে! - টেকটিউনস টেকবুম আমি টেকটিউনস টেকবুম। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 13 বছর 3 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 1358 টি টিউন ও 0 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 3 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।
চলছে Proton এর গোপন Web Browser প্রজেক্ট! সাথে থাকছে Chromium Engine, শক্তিশালী Anti-Fingerprinting, জবরদস্ত Content Blocking, জিরো Telemetry এবং macOS, Windows ও Linux সাপোর্ট! Google Chrome-এর একচ্ছ
আজকের এই অতি-সংযুক্ত প্রযুক্তির যুগে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি মুহূর্তই কোনো না কোনোভাবে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত। কিন্তু আমরা কি কখনো গভীরভাবে ভেবে দেখেছি, ব্রাউজিং করার সময় আমাদের কতশত ব্যক্তিগত তথ্য ব্যাকগ্রাউন্ডে ট্র্যাক হয়ে যাচ্ছে? আমরা যারা প্রতিদিন ইন্টারনেটে কাজ করি এবং নিজেদের Digital Life থেকে Google-এর মতো টেক প্রকাণ্ডদের সর্বব্যাপী নজরদারি ও ডেটা কালেকশন কমাতে চাই, তাদের কাছে প্রথম বড় পদক্ষেপই হলো বিভিন্ন Privacy-First Alternatives-এ Switch করা। আর এই Privacy সুরক্ষার...

লেখক সম্পর্কে
TA Shanto
Administrator
’m a passionate Full-Stack Developer with a strong focus on building fast, scalable, and user-friendly web applications.I specialize in modern JavaScript technologies like React, Next.js, and Tailwind CSS ✨. and I love working within the React ecosystem. On the backend, I have solid experience with Node.js, Express.js, and Prisma⚡. allowing me to build reliable and efficient APIs and services. Recently, I’ve been primarily working with a stack I truly enjoy: Typescript, Nextjs, TailwindCss, Node.js, Express.js, and Prisma ⚡ I really love this stack. I strongly believe in continuous learning and self-improvement. Whether the situation is ideal or challenging, I always strive to grow and adapt. Every project is an opportunity to learn something new and build something impactful. Feel free to reach out — I’d love to connect! iamtashanto@gmail.com