সিলিকন ভ্যালি নয়, এখন নিজেদের শোবার ঘরে বসেই ভবিষ্যৎ গড়ছে আমাদের দেশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা! আগে যেখানে নতুন কিছু বানাতে বড় ল্যাব দরকার হতো, এখন সেখানে একটা পুরোনো ফোন, কিছু যন্ত্রাংশ আর একটু কৌতূহল থাকলেই শুরু হয়ে যাচ্ছে দারুণ সব উদ্ভাবন। ধরুন সিলেটের ১৮ বছর বয়সী আয়েশা রহমানের (ms. Ayesha Rahman) কথা। বাতিল হয়ে যাওয়া স্মার্টফোনের যন্ত্রাংশ জোগাড় করে সে বানিয়ে ফেলেছে কম খরচের একটি এগ্রিকালচারাল ড্রোন। এই ড্রোন দিয়ে স্থানীয় কৃষকরা সহজেই তাদের ফসলের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। আয়েশা দেখিয়ে দিয়েছে—প্রযুক্তি বানাতে সবসময় বড় বাজেট লাগে না, লাগে কেবল আইডিয়া আর ইচ্ছাশক্তি। এমনই আরেকটা অনুপ্রেরণার গল্প এসেছে রংপুরের পায়রাবন্দ থেকে। সেখানে এইচএসসি বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মো. সজন খান (MD Shjon Khan) নিজে নিজেই কাজ করছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আর বায়োমেকানিক্স নিয়ে। আয়েশা যেমন আকাশের দিকে তাকিয়ে নতুন কিছু ভাবছে, সজন তেমন তৈরি করেছে ‘হাইড্রোবট’ (HDB-1 ও HDB-2) নামে হাইড্রোলিক হিউম্যানয়েড রোবট। শুধু তাই নয়—পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে সে বানিয়েছে ‘মায়া’ (Maya) নামের একটি নিজস্ব চ্যাটবটও। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, পরবর্তীতে সজন তার এই ‘মায়া’ চ্যাটবটকে সরাসরি যুক্ত করেছে তার নতুন রোবট ‘HDB-2’-এর সাথে। অর্থাৎ, কেবল সফটওয়্যার নয়—এআই আর বাস্তব রোবটকে একসাথে মিলিয়ে সে তৈরি করেছে একটি ইন্টারেক্টিভ সিস্টেম। আয়েশা আর সজনের মতো তরুণ উদ্ভাবকেরা আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শুধু বড় বড় ল্যাবে নয়, বরং হাজারো কৌতূহলী মনের ভেতরেই তৈরি হচ্ছে। যারা নিজেরাই হার্ডওয়্যার বানাচ্ছে, কোড লিখছে, আর নতুন নতুন আইডিয়া বাস্তব করছে—তাদের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে আগামী দিনের বাংলাদেশ। 🇧🇩 আমি অনিক রহমান। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 7 মাস 2 সপ্তাহ যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 1 টি টিউন ও 0 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।
ঘরে বসেই উদ্ভাবনের নতুন দিগন্ত খুলছে বাংলাদেশের তরুণদের!
সিলিকন ভ্যালি নয়, এখন নিজেদের শোবার ঘরে বসেই ভবিষ্যৎ গড়ছে আমাদের দেশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা! আগে যেখানে নতুন কিছু বানাতে বড় ল্যাব দরকার হতো, এখন সেখানে একটা পুরোনো ফোন, কিছু যন্ত্রাংশ আর একটু কৌতূহল থাকলেই শুরু হয়ে যাচ্ছে দারুণ সব উদ্ভাবন। ধরুন সিলেটের ১৮ বছর বয়সী আয়েশা রহমানের (ms. Ayesha Rahman) কথা। বাতিল হয়ে যাওয়া স্মার্টফোনের যন্ত্রাংশ জোগাড় করে সে বানিয়ে ফেলেছে কম খরচের একটি এগ্রিকালচারাল ড্রোন। এই ড্রোন দিয়ে স্থানীয় কৃষকরা সহজেই তাদের ফসলের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করতে পা...

লেখক সম্পর্কে
TA Shanto
Administrator
’m a passionate Full-Stack Developer with a strong focus on building fast, scalable, and user-friendly web applications.I specialize in modern JavaScript technologies like React, Next.js, and Tailwind CSS ✨. and I love working within the React ecosystem. On the backend, I have solid experience with Node.js, Express.js, and Prisma⚡. allowing me to build reliable and efficient APIs and services. Recently, I’ve been primarily working with a stack I truly enjoy: Typescript, Nextjs, TailwindCss, Node.js, Express.js, and Prisma ⚡ I really love this stack. I strongly believe in continuous learning and self-improvement. Whether the situation is ideal or challenging, I always strive to grow and adapt. Every project is an opportunity to learn something new and build something impactful. Feel free to reach out — I’d love to connect! iamtashanto@gmail.com